ব্যারিস্টার সুমনকে যুবলীগ থেকে অব্যাহতি, পদ হারা কারণ

ব্যারিস্টার সুমনকে যুবলীগ থেকে অব্যাহতি, পদ হারার কারণ

যুবলীগ থেকে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গেল বছরের ১৪ নভেম্বর আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ পান তিনি।

ব্যারিস্টার সুমনকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিল। মাইনুল হাসান খান নিখিল বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সুপ্রিম কোর্টের আলোচিত আইনজীবী ও যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর।

আলোচিত আইনজীবী ও যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সংগঠন থেকে অব্যাহতির বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, যুবলীগ থেকে এখনও কোন চিঠি পাইনি। অব্যাহতির চিঠি পেলে জাবাব দেব।

যুবলীগ থেকে অব্যাহতির কারণ শনিবার (৭ আগস্ট) রাতে জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন। ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ তাকে কমিটিতে নিয়েছেন। তিনি যদি মনে করেন আমাকে বাদ দিলে দলের ভালো হবে, তাহলে সাংগঠনিক এ সিদ্ধান্ত মেনে নেব।

ব্যারিস্টার সুমন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে আজীবন দলের ভালোর জন্য কাজ করে যাওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন। জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে অযাচিত কিছু বলেননি বলে দাবি করে ব্যারিস্টার সুমন জানান, থানার একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া ঠিক হয়নি বলে ফেসবুক লাইভ করেছিলেন তিনি।

কী কারণে যুবলীগের পদ হারালেন ব্যারিস্টার সুমন;

শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে শরীয়তপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কর্মসূচিতে গত ৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে স্লোগান দিয়েছিলেন সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন। ওই স্লোগানের ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে স্লোগান দিয়ে সরকারি বিধিমালা ১৯৭৯ লঙ্ঘন করেছেন এমন কথাও বলেন কেউ কেউ। যুবলীগ নেতা ব্যারিস্টার সুমন এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করেন। যে কারণে তাকে যুবলীগের পদ থেকে অব্যাহতি পেতে হলো।

৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ওসির ওই স্লোগানের নিন্দা জানান যুবলীগ নেতা ব্যারিস্টার সুমন। আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেনের তীব্র সমালোচনা করে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Contact Us